বাজেট সহায়তা হিসেবে বাংলাদেশকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিচ্ছে তেল রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেকের ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। এ লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও ওপেক ফান্ডের মধ্যে একটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী ও ওপেক ফান্ডের পক্ষে প্রেসিডেন্ট ড. আবদুল হামিদ আল খলিফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
ইআরডি জানিয়েছে, বাজেট সহায়তার আওতায় এ ঋণ দেয়া হচ্ছে। এ অর্থ মূলত আর্থিক খাত সংস্কার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় ব্যয় করা হবে।
চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলারের সমপরিমাণ প্রায় ৯৬ দশমিক ১০ মিলিয়ন ইউরো দেয়া হবে। ঋণের বার্ষিক সুদের হার ধরা হয়েছে ছয় মাসের ইউরিবোর সঙ্গে অতিরিক্ত ১ দশমিক ২০ শতাংশ। এ ঋণ পরিশোধে তিন বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ মোট মেয়াদ হবে ১৮ বছর।
অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজের (ওপেক) সদস্য দেশগুলোর উদ্যোগে ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট। এটি একটি আন্তঃসরকারি উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান।
ওপেক ফান্ড ১৯৭৭-৭৮ অর্থবছর থেকে বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। এ পর্যন্ত সংস্থাটি সরকারি খাতে ৩৩টি উন্নয়ন প্রকল্পে ৭৯ কোটি ৩৬ লাখ ১০ হাজার ডলার ও বেসরকারি খাতে ৩১ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার ডলার অর্থায়ন করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সড়ক যোগাযোগ ও বিদ্যুৎ খাতসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত প্রকল্পে তাদের অবদান উল্লেখযোগ্য।